• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু

মাস্ক না পরায় বাবার হাতে ছেলে খুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ১৯ এপ্রিল ।। লকডাউনের ফলে নিস্তব্ধ পশ্চিবঙ্গের রাজধানী কলকাতা। রাস্তায় লোক চলাচল নেই বললেই চলে। এ অবস্থায় শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় শ্যামপুকুর থানায় এসে এক বৃদ্ধ পুলিশ জানান, মাস্ক না পরায় তিনি নিজের ছেলেকে খুন করেছেন। তার কথা শুনে পুলিশ অফিসার থ। পরে সব শুনে বংশীধর নামের ওই বৃদ্ধের বাড়িতে গিয়ে উদ্ধার করা হয় ছেলের মরদেহ। নিহতের নাম শীর্ষেন্দু, বয়স ৪৫ বছর।

শোভাবাজার লেনের বাসিন্দা ৭৮ বছরের বংশীধর প্রতিদিন বিকেলে তিনি ছেলে শীর্ষেন্দুকে নিয়ে বেড়াতে বের হন। ছেলে শারীরিক প্রতিবন্ধী এবং মৃগী রোগী। শনিবার বিকেলে বেড়াতে বেরোনোর সময় তিনি ছেলেকে মাস্ক পরতে বলেন। কিন্তু ছেলে কিছুতেই তা পরতে রাজি হননি। বার বার বলার পরেও ছেলে কথা না শোনায় তার রাগ উঠে যায়। তখন তিনি ছেলের গলায় কাপড় পেঁচিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে খুন করেন।

শ্যামপুকুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, ঘরের মাটিতে পড়ে রয়েছে শীর্ষেন্দুর দেহ। আর বিছানায় শুয়ে রয়েছেন শীর্ষেন্দুর মা।

সেরিব্রাল অ্যাটাকের পর পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে বছর ১৮ ধরে বিছানায় শয্যাশায়ী বংশীধরের স্ত্রী ও শীর্ষেন্দুর মা। বংশীধর মায়ের সামনেই ছেলেকে খুন করেন।

পুলিশ শীর্ষেন্দুর মরদেহ উদ্ধার করার পর ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

গত ১৮ বছর ধরে অসুস্থ স্ত্রী এবং অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে থাকতে থাকতে জীবনের ওপর তিতিবিরক্ত হয়ে পড়েছিলেন বংশীধরবাবু। সেই তিক্ততা থেকেই তিনি এই খুনের ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে দাবি করেচেন। তবে তদন্তকারীরা তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আসল ঘটনা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছে।

পুলিশের ধারণা, অসুস্থ স্ত্রী আর ছেলেকে নিয়ে দীর্ঘদিন থাকার পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতিতে তার উদ্বেগ আরও বেড়ে গিয়েছিল। ছেলে মাস্ক না পরে বাইরে বেরোলে যদি সংক্রমণ হয়, সেই চিন্তাও বংশীধরকে গ্রাস করেছিল। যার জেরে এই হত্যাকাণ্ড।

সূত্র: আনন্দবাজার


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ